7 thoughts on “Ramadan – Nasihaa For The Female

    • সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, সলাত এবং সালাম নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর আহলদের প্রতি।
      একজন নারীর একাধিক জায়গায় বিয়ে হলে সে তার মৃত্যূর পর কোন স্বামীর সাথে থাকবে, এ ব্যাপারে তিনটি অভিমত রয়েছে-
      এক. দুনিয়ার জীবনে যে তার সাথে সবচেয়ে উত্তম আচরন করেছে এবং যে উত্তম চরিত্রের ছিল।
      দুই. সে তাদের মধ্য থেকে পছন্দ করে নিবে।
      তিন. সে তার শেষ স্বামীর সাথে থাকবে।
      . এই তিনটি অভিমতের মধ্যে সবচেয়ে সঠিক এবং উত্তম অভিমত হচ্ছে সে তার সর্বশেষ স্বামীর সাথে থাকবে। কারন নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্নিত,
      ‘‘যে কোন মহিলা যার স্বামী মারা যায় এবং অতপর সে অন্য কাউকে বিয়ে করে তবে সে তার সর্বশেষ স্বামীর সাথে থাকবে।’’
      (আলবানী সাহীহ বলেছেন, সাহীহ আল জামি’ ২৭০৪ এবং সিলসিলাহ আল সাহীহাহ ১২৮১)।

  1. assalamualikum….vhia ami jante chai kau jodi bujhe j onnaie hocche onnaie kora hocche er poreo se jode nejader onnai take gare jore oshekar kore er fole jode jhogra bibad hoi tahole amar ki kora uchit????islame wife er proti husband ki daetto ta jante chai dolil soho.husband ki ja khushe bolte parbe korte parbe wife ki kichue korte parbe na.onnaie holeo ki protibad korte parbe na.plz brother amak dolil soho ans deban plz..allah apnak sahajjo korun…

    • ওয়ালাইকুমুস সালাম,
      বোন অন্যায় হতে দেখলে আপনার উচিত অবশ্যই আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী তা বন্ধ করা, তার প্রতিবাদ করা। তবে বিষয়টি যদি হয় স্বামীর সাথে সেক্ষেত্রে সাবরের সাথে, উত্তমভাবে তার সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। আপনার কি করা উচিত তার পূর্বে আপনার প্রশ্ন-
      ‘‘ islame wife er proti husband ki daetto ta jante chai dolil soho ‘’
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন, ‘‘নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে (স্বামীদের উপর) যেমন আছে তাদের উপর পুরুষদের। কিন্তু নারীদের উপর পুরুষদের মর্যাদা আছে।’’ [সূরা, বাক্বারাহ ২: ২২৮]
      ইসলামে স্বামীর প্রতি নারীদের অধিকার সমূহের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক এবং অন অর্থনেতিক অধিকার।
      অর্থনৈতিক অধিকার সমূহ-
      ক. মাহর, যা বিয়ের সময় নির্ধারন করা হবে। পুরুষের প্রতি ফারদ নারীর মাহর আদায় করা,( যদি না সে মাফ করে দেয়, বা কিছু অংশ ছাড় দেয়) ।
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন, ‘‘আর নারীদেরকে তাদের মাহর স্বতস্ফুর্তভাবে প্রদান করবে….।’’ [সূরা, নিসা ৪:৪]
      খ. ব্যয় করা- এ ব্যাপারে আলিমগন একমত যে পুরুষ স্ত্রীদের ব্যয়ভার বহন করবে।
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন,

      ‘‘ন্যায় সংগতভাবে শিশুর পিতা (শিশুর) মায়ের খাদ্য এবং বস্স্ত্রের ব্যয়ভার বহন করবে।’’ [সূরা বাক্বারা ২:২৩৩]
      ‘‘বিত্তবান নিজ সামর্থ অনুযায়ী ব্যয় করবে এবং যার জীবন উপকরন সীমিত সে আল্লাহ যা দান করেছেন তা থেকে ব্যয় করবে।’’ [সূরা, ত্বলাক্ব ৬৫:৭]
      আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা বিন উতবা যখন উনার ব্যাপারে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অভিযোগ করেছিলেন তখন তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন ন্যায় সংগতভাবে তার এবং তার সন্তানদের জন্য আবু সুফিয়ান এর সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় পরিমান সম্পদ নেয়ার জন্য।
      It was narrated that ‘Aa’ishah said: “Hind bint ‘Utbah, the wife of Abu Sufyaan, entered upon the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) and said, ‘O Messenger of Allaah, Abu Sufyaan is a stingy man who does not spend enough on me and my children, except for what I take from his wealth without his knowledge. Is there any sin on me for doing that?’ The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said, ‘Take from his wealth on a reasonable basis, only what is sufficient for you and your children.’” (Narrated by al-Bukhaari, 5049; Muslim, 1714)
      বিদায় হজ্জের ভাষনে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপদেশ দিয়েছিলেন, নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করতে এবং তাদেরকে তাদের পেছনে খাদ্য এবং বস্ত্রের জন্য ন্যায় সংগতভাবে ব্যয় করতে।
      “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)

      গ. বাসস্থান: এটাও স্বামীর প্রতি নারীর অধিকার।

      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন,
      ‘‘তোমরা তোমাদের সামর্থ অনুযায়ী তোমরা যেরুপ গৃহে বাস কর তাদেরকেও সেরুপ গৃহে বাস করতে দিবে।’’ [সূরা, ত্বলাক্ব ৬৫:৬]

      অন অর্থনৈতিক অধিকার সমূহের মধ্যে রয়েছে-
      ক. একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মধ্যে সমতা বজায় রাখা। অন্যথায় কিয়ামত দিবসে অধাংগ হয়ে উঠার ভীতি রয়েছে।
      খ. সদভাবে বসবাস, উত্তম আচরন:
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন,
      ‘‘তাদের সাথে সম্মানের সাথে (সদভাবে) জীবন যাপন করবে।’’ [সূরা, নিসা ৪:১৯]

      ‘‘নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে (স্বামীদের উপর) যেমন আছে তাদের উপর পুরুষদের।’’ [সূরা, বাক্বারাহ ২: ২২৮]
      রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম বলেছেন, ‘‘নারীদের প্রতি সদয় হও’’ (Narrated by al-Bukhaari, 3153; Muslim, 1468).

      মু’মিনদের মা উম্মু সালামা (রা) বর্ননা করেছেন মাসিকের সময়েও রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে একই কাপড়ের নীচে শুতে কাছে ডেকে নিয়েছিলেন, এমনকি সিয়ামরত অবস্থায়ও চুমু খেয়েছিলেন,
      1. It was narrated from Zaynab bint Abi Salamah that Umm Salamah said: “I got my menses when I was lying with the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) under a single woollen sheet. I slipped away and put on the clothes I usually wore for menstruation. The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said to me, ‘Have you got your menses?’ I said, ‘Yes.’ Then he called me and made me lie with him under the same sheet.”
      She said: And she told me that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) used to kiss her when he was fasting, and the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) and I used to do ghusl to cleanse ourselves from janaabah from one vessel.(Narrated by al-Bukhaari, 316; Muslim, 296)
      মু’মিনদের মা আইশা (রা) নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাধে ভর দিয়ে দরজায় দাড়িয়ে আবিসিয়ান বালকদের খেলা উপভোগ করেছিলেন।
      . It was narrated that ‘Urwah ibn al-Zubayr said: “ ‘Aa’ishah said: ‘By Allaah, I saw the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) standing at the door of my apartment when the Abyssinians were playing with their spears in the Mosque of the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him). He covered me with his cloak so that I could watch their games, then he stood there for my sake until I was the one who had had enough. So you should appreciate the fact that young girls like to have fun.’” (Narrated by al-Bukhaari, 443; Muslim, 892)

      গ. স্ত্রীকে কোন ক্ষতি না করা-

      এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি অন্যদেরকে ক্ষতি না করা। স্ত্রীদের ব্যাপারে এটি আরও বেশী প্রযোজ্য। বিদায় হজ্জের ভাষনে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
      ‘‘নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর……’’(Narrated by Muslim, 1218)

      “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)
      একজন পুরুষ স্বামী হিসেবে তার অধিনস্থ নারীর ব্যাপারে অবশ্যই আল্লাহকে ভয় করবে। তাকে অপমান করবে না, গালাগাল দিবে না, উপহাস করবে না। কারন অন্যদেরকে উপহাস করা, অপমান করা কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।

      এবারে আলোচনা করব এ সমস্যার সমাধানের ব্যাপারে-
      ক.আপনি সাবরের সাথে আপনার স্বামীর সাথে সমস্যাকে সমাধানের চেষ্টা করুন।
      খ, আপনার প্রতি আপনার স্বামীর যে অধিকার রয়েছ তা পূরন করুন, তাকে সন্তুষ্ট রাখুন, বিনয়ের সাথে আচরন করুন, সদয়ভাবে জীবন যাপন করতে চেষ্টা করুন।
      গ. আপনার সাথে খারাপ আচরন করলে আপনি চেষ্টা করুন ভাল আচরন দ্বারা তার মোকাবিলা করতে। (দেখুন হা-মী-ম আস সিজদা ৪১:৩৪) উত্তেজিত না হয়ে চেষ্টা করুন সাবরের সাথে উত্তম আচরন দ্বারা তা প্রতিহত করতে। কারন উত্তেজিত হলে অনেক সময়ই উল্টো ফলাফল হয়ে থাকে। দোয়া করি তিনি আপনাকে সাবর দান করুন।
      ঘ. সম্মান দিয়ে কথা বলুন, আপনার স্বামী অপমানবোধ করে এরুপ আচরন করবেন না, উনি ভূল করলে মুখের উপর অপমানিত হয় এমনভাবে না বলে উত্তমভাবে তা স্মরন করিয়ে দিন।
      ঙ. চেষ্টা করুন খুজে বের করতে কেন ভুল বোঝা-বুঝি হচ্ছে, অনেক সময় সামান্য কারনেই তা ঘটে থাকে।
      চ. আপনার প্রতি আপনার স্বামীর ভালবাসা তৈরী করার চেষ্টা করুন, অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টা করুন। আপনার স্বামীর প্রতি ঘৃনা বোধ না রেখে তার ভাল দিকগুলো স্মরন করে তার প্রতি অন্তরে ভালবাসা তৈরী করুন।
      ছ. আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আপনার সমস্যার সমাধান করে দেন।
      এগুলোর মাধ্যমে যদি সমাধান হয়ে যায় তবে অন্য পথ অনুসরন করবেন না। আল্লাহর কাছে সবিনয় আহবান করছি তিনি যেন আপনার সমস্যার সদাধান করে দেন।

    • ওয়ালাইকুমুস সালাম,
      বোন অন্যায় হতে দেখলে আপনার উচিত অবশ্যই আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী তা বন্ধ করা, তার প্রতিবাদ করা। তবে বিষয়টি যদি হয় স্বামীর সাথে সেক্ষেত্রে সাবরের সাথে, উত্তমভাবে তার সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। আপনার কি করা উচিত তার পূর্বে আপনার প্রশ্ন-
      ‘‘ islame wife er proti husband ki daetto ta jante chai dolil soho ‘’
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন, ‘‘নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে (স্বামীদের উপর) যেমন আছে তাদের উপর পুরুষদের। কিন্তু নারীদের উপর পুরুষদের মর্যাদা আছে।’’ [সূরা, বাক্বারাহ ২: ২২৮]
      ইসলামে স্বামীর প্রতি নারীদের অধিকার সমূহের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক এবং অন অর্থনেতিক অধিকার।
      অর্থনৈতিক অধিকার সমূহ-
      ক. মাহর, যা বিয়ের সময় নির্ধারন করা হবে। পুরুষের প্রতি ফারদ নারীর মাহর আদায় করা,( যদি না সে মাফ করে দেয়, বা কিছু অংশ ছাড় দেয়) ।
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন, ‘‘আর নারীদেরকে তাদের মাহর স্বতস্ফুর্তভাবে প্রদান করবে….।’’ [সূরা, নিসা ৪:৪]
      খ. ব্যয় করা- এ ব্যাপারে আলিমগন একমত যে পুরুষ স্ত্রীদের ব্যয়ভার বহন করবে।
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন,
      ‘‘ন্যায় সংগতভাবে শিশুর পিতা (শিশুর) মায়ের খাদ্য এবং বস্স্ত্রের ব্যয়ভার বহন করবে।’’ [সূরা বাক্বারা ২:২৩৩]
      ‘‘বিত্তবান নিজ সামর্থ অনুযায়ী ব্যয় করবে এবং যার জীবন উপকরন সীমিত সে আল্লাহ যা দান করেছেন তা থেকে ব্যয় করবে।’’ [সূরা, ত্বলাক্ব ৬৫:৭]
      আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা বিন উতবা যখন উনার ব্যাপারে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অভিযোগ করেছিলেন তখন তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন ন্যায় সংগতভাবে তার এবং তার সন্তানদের জন্য আবু সুফিয়ান এর সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় পরিমান সম্পদ নেয়ার জন্য।
      It was narrated that ‘Aa’ishah said: “Hind bint ‘Utbah, the wife of Abu Sufyaan, entered upon the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) and said, ‘O Messenger of Allaah, Abu Sufyaan is a stingy man who does not spend enough on me and my children, except for what I take from his wealth without his knowledge. Is there any sin on me for doing that?’ The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said, ‘Take from his wealth on a reasonable basis, only what is sufficient for you and your children.’” (Narrated by al-Bukhaari, 5049; Muslim, 1714)
      বিদায় হজ্জের ভাষনে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপদেশ দিয়েছিলেন, নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করতে এবং তাদেরকে তাদের পেছনে খাদ্য এবং বস্ত্রের জন্য ন্যায় সংগতভাবে ব্যয় করতে।
      “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)
      গ. বাসস্থান: এটাও স্বামীর প্রতি নারীর অধিকার।
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন,
      ‘‘তোমরা তোমাদের সামর্থ অনুযায়ী তোমরা যেরুপ গৃহে বাস কর তাদেরকেও সেরুপ গৃহে বাস করতে দিবে।’’ [সূরা, ত্বলাক্ব ৬৫:৬]
      অন অর্থনৈতিক অধিকার সমূহের মধ্যে রয়েছে-
      ক. একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মধ্যে সমতা বজায় রাখা। অন্যথায় কিয়ামত দিবসে অধাংগ হয়ে উঠার ভীতি রয়েছে।
      খ. সদভাবে বসবাস, উত্তম আচরন:
      আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন,
      ‘‘তাদের সাথে সম্মানের সাথে (সদভাবে) জীবন যাপন করবে।’’ [সূরা, নিসা ৪:১৯]
      ‘‘নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে (স্বামীদের উপর) যেমন আছে তাদের উপর পুরুষদের।’’ [সূরা, বাক্বারাহ ২: ২২৮]
      রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম বলেছেন, ‘‘নারীদের প্রতি সদয় হও’’ (Narrated by al-Bukhaari, 3153; Muslim, 1468).
      মু’মিনদের মা উম্মু সালামা (রা) বর্ননা করেছেন মাসিকের সময়েও রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে একই কাপড়ের নীচে কাছে ডেকে নিয়েছিলেন, এমনকি সিয়ামরত অবস্থায়ও চুমু খেয়েছিলেন,
      1. It was narrated from Zaynab bint Abi Salamah that Umm Salamah said: “I got my menses when I was lying with the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) under a single woollen sheet. I slipped away and put on the clothes I usually wore for menstruation. The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said to me, ‘Have you got your menses?’ I said, ‘Yes.’ Then he called me and made me lie with him under the same sheet.”
      She said: And she told me that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) used to kiss her when he was fasting, and the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) and I used to do ghusl to cleanse ourselves from janaabah from one vessel.(Narrated by al-Bukhaari, 316; Muslim, 296)
      মু’মিনদের মা আইশা (রা) নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাধে ভর দিয়ে দরজায় দাড়িয়ে আবিসিয়ান বালকদের খেলা উপভোগ করেছিলেন।
      . It was narrated that ‘Urwah ibn al-Zubayr said: “ ‘Aa’ishah said: ‘By Allaah, I saw the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) standing at the door of my apartment when the Abyssinians were playing with their spears in the Mosque of the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him). He covered me with his cloak so that I could watch their games, then he stood there for my sake until I was the one who had had enough. So you should appreciate the fact that young girls like to have fun.’” (Narrated by al-Bukhaari, 443; Muslim, 892)
      গ. স্ত্রীকে কোন ক্ষতি না করা-
      এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি অন্যদেরকে ক্ষতি না করা। স্ত্রীদের ব্যাপারে এটি আরও বেশী প্রযোজ্য। বিদায় হজ্জের ভাষনে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
      ‘‘নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর……’’(Narrated by Muslim, 1218)
      “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)
      একজন পুরুষ স্বামী হিসেবে তার অধিনস্থ নারীর ব্যাপারে অবশ্যই আল্লাহকে ভয় করবে। তাকে অপমান করবে না, গালাগাল দিবে না, উপহাস করবে না। কারন অন্যদেরকে উপহাস করা, অপমান করা কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
      এবারে আলোচনা করব এ সমস্যার সমাধানের ব্যাপারে-
      ক.আপনি সাবরের সাথে আপনার স্বামীর সাথে সমস্যাকে সমাধানের চেষ্টা করুন।
      খ, আপনার প্রতি আপনার স্বামীর যে অধিকার রয়েছ তা পূরন করুন, তাকে সন্তুষ্ট রাখুন, বিনয়ের সাথে আচরন করুন, সদয়ভাবে জীবন যাপন করতে চেষ্টা করুন।
      গ. আপনার সাথে খারাপ আচরন করলে আপনি চেষ্টা করুন ভাল আচরন দ্বারা তার মোকাবিলা করতে। (দেখুন হা-মী-ম আস সিজদা ৪১:৩৪) উত্তেজিত না হয়ে চেষ্টা করুন সাবরের সাথে উত্তম আচরন দ্বারা তা প্রতিহত করতে। কারন উত্তেজিত হলে অনেক সময়ই উল্টো ফলাফল হয়ে থাকে। দোয়া করি তিনি আপনাকে সাবর দান করুন।
      ঘ. সম্মান দিয়ে কথা বলুন, আপনার স্বামী অপমানবোধ করে এরুপ আচরন করবেন না, উনি ভূল করলে মুখের উপর অপমানিত হয় এমনভাবে না বলে উত্তমভাবে তা স্মরন করিয়ে দিন।
      ঙ. চেষ্টা করুন খুজে বের করতে কেন ভুল বোঝা-বুঝি হচ্ছে, অনেক সময় সামান্য কারনেই তা ঘটে থাকে।
      চ. আপনার প্রতি আপনার স্বামীর ভালবাসা তৈরী করার চেষ্টা করুন, অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টা করুন। আপনার স্বামীর প্রতি ঘৃনা বোধ না রেখে তার ভাল দিকগুলো স্মরন করে তার প্রতি অন্তরে ভালবাসা তৈরী করুন।
      ছ. আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আপনার সমস্যার সমাধান করে দেন।
      এগুলোর মাধ্যমে যদি সমাধান হয়ে যায় তবে অন্য পথ অনুসরন করবেন না। আল্লাহর কাছে সবিনয় আহবান করছি তিনি যেন আপনার সমস্যার সমাধান করে দেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s